Have a question? We Are Here to Help

হিজামা সংক্রান্ত হাদীসসমূহ ও মাসায়েল

Hijama Planet > Blog > Uncategorized > হিজামা সংক্রান্ত হাদীসসমূহ ও মাসায়েল

হিজামা সংক্রান্ত হাদীসসমূহ ও মাসায়েল

রোজায় হিজামা

وَعَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ – رضي الله عنه – قَالَ: أَوَّلُ مَا كُرِهَتِ الحِجَامَةُ لِلصَّائِمِ; أَنَّ جَعْفَرَ بْنَ أَبِي طَالِبٍ احْتَجَمَ وَهُوَ صَائِمٌ، فَمَرَّ بِهِ النَّبِيُّ – صلى الله عليه وسلم – فَقَالَ: «أَفْطَرَ هَذَانِ»، ثُمَّ رَخَّصَ النَّبِيُّ – صلى الله عليه وسلم – بَعْدُ فِي الحِجَامَةِ لِلصَّائِمِ، وَكَانَ أَنَسٌ يَحْتَجِمُ وَهُوَ صَائِمٌ. رَوَاهُ الدَّارَقُطْنِيُّ وَقَوَّاهُ

আনাস বিন মালিক রদ্বিআল্লহু আনহু তিনি বলেন, প্রথম দিকে সিঙ্গা লাগান মাকরূহ হবার কারণ ছিল, জাফার বিন আবু তালিব সওমের অবস্থায় সিঙ্গা লাগিয়েছিলেন আর নাবী সল্লাল্লহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন, তিনি বললেন-এরা দুজনেই সওম ভঙ্গ করে ফেলেছে। তারপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওমের অবস্থায় সিঙ্গা লাগানোর ব্যাপারে অবকাশ দিয়েছেন। ফলে আনাস রদ্বিআল্লহু আনহু সায়িম অবস্থায় সিঙ্গা লাগাতেন।
দারাকুৎনী একে কাবি (মজবুত) সনদ হিসেবে সাব্যস্ত করেছেন। সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নং ৬৬৭ হাদিসের মান: সহিহ হাদিস 

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ أَنَّ سَعْدَ بْنَ أَبِي وَقَّاصٍ وَعَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَا يَحْتَجِمَانِ وَهُمَا صَائِمَانِ

ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্ণিতঃ
সা’দ ইবনু আবি ওয়াক্কাস ও আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) দু’জনে শিঙ্গা লাগাতেন অথচ তাঁরা রোযাদার।
(হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
হাদিসের মানঃ নির্ণীত নয় 

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ كَانَ يَحْتَجِمُ وَهُوَ صَائِمٌ ثُمَّ لَا يُفْطِرُ قَالَ وَمَا رَأَيْتُهُ احْتَجَمَ قَطُّ إِلَّا وَهُوَ صَائِمٌ ১قَالَ مَالِك لَا تُكْرَهُ الْحِجَامَةُ لِلصَّائِمِ إِلَّا خَشْيَةً مِنْ أَنْ يَضْعُفَ وَلَوْلَا ذَلِكَ لَمْ تُكْرَهْ وَلَوْ أَنَّ رَجُلًا احْتَجَمَ فِي رَمَضَانَ ثُمَّ سَلِمَ مِنْ أَنْ يُفْطِرَ لَمْ أَرَ عَلَيْهِ شَيْئًا وَلَمْ آمُرْهُ بِالْقَضَاءِ لِذَلِكَ الْيَوْمِ الَّذِي احْتَجَمَ فِيهِ لِأَنَّ الْحِجَامَةَ إِنَّمَا تُكْرَهُ لِلصَّائِمِ لِمَوْضِعِ التَّغْرِيرِ بِالصِّيَامِ فَمَنْ احْتَجَمَ وَسَلِمَ مِنْ أَنْ يُفْطِرَ حَتَّى يُمْسِيَ فَلَا أَرَى عَلَيْهِ شَيْئًا وَلَيْسَ عَلَيْهِ قَضَاءُ ذَلِكَ الْيَوْمِ

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্ণিতঃ
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি হিজামা লাগাতেন অথচ তিনি রোযাদার। অতঃপর এই কারণে রোযা ভঙ্গ করতেন না। হিশাম বলেন, আমি তাঁকে রোযাদার অবস্থা ছাড়া কখনো হিজামা লাগাতে দেখিনি।
(হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) বলেন, রোযাদারের শিঙ্গা লাগানো মাকরূহ নয় কিন্তু দুর্বল হয়ে পড়ার ভয় হলে মাকরূহ, দুর্বল না হলে এটা মাকরূহ হবে না। আর যদি কোন ব্যক্তি রমযানে শিঙ্গা লাগায়, অতঃপর রোযা ভঙ্গ করা হতে বিরত থাকে, আমি তার জন্য কোন কিছু (লাগবে বলে) মনে করি না এবং যেদিন শিঙ্গা লাগিয়েছে সেই দিনের রোযা কাযা করার হুকুমও করি না। কেননা রোযার ক্ষতির আশংকায় রোযাদারের জন্য শিঙ্গা লাগানো মাকরূহ করা হয়েছে। ফলে যে ব্যক্তি লাগিয়েছে, সন্ধ্যা পর্যন্ত রোযা ইফতার করা হতে বিরত রয়েছে আমি তার জন্য কোন দোষ মনে করি না এবং তার উপর সেই দিনের (রোযার) কাযাও প্রয়োজন হবে না।
হাদিসের মানঃ নির্ণীত নয়

وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا؛ أَنَّ النَّبِيَّ – صلى الله عليه وسلم – احْتَجَمَ وَهُوَ مُحْرِمٌ، وَاحْتَجَمَ وَهُوَ صَائِمٌ. رَوَاهُ البُخَارِيُّ

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুহরিম অবস্থায় শিঙ্গা লাগিয়েছেন এবং সায়িম (রোযা রাখা) অবস্থায়ও শিঙ্গা লাগিয়েছেন। [৭১১]
[৭১১] বুখারী ১৮২৫, ১৯৩৮, ২৯২৯, ২১০৩, মুসলিম ১২০২, তিরমিয়ী ৭৭৫, ৭৭৬, ৭৭৭, 
নাসায়ী ২৮৪৫, ২৮৪৬, ২৮৪৭, ১৮২৫, ইবনু মাজাহ ১৬৮২, ২০৮১,
আহমাদ ১৮৫২, ১৯২২, দারেমী ১৮১৯, ১৯২১
হাদিসের মানঃ সহিহ

ইহরাম অবস্থায় হিজামা

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ قَالَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي زِيَادٍ عَنْ مِقْسَمٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ احْتَجَمَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ صَائِمٌ مُحْرِمٌ

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সিয়াম ও ইহরাম রত অবস্থায় হিজামা করিয়েছেন। সহীহ, এ শব্দে তিনি মুহরিম অবস্থায় শিঙ্গা লাগিয়েছেন।
তাহকীক আলবানীঃ (“আরবী’) শব্দ দ্বারা সহীহ।
[১৬৮২] সহীহুল বুখারী ১৮৩৫, ১৯৩৮, ১৯৩৯, ২১০৩, ২২৭৮, ২২৭৯, ৫৬৯১, ৫৬৯৪, ৫৬৯৫, ৫৬৯৯,৫৭০১, মুসলিম ১২০২, তিরমিযী ৭৭৫, ৭৭৬, ৭৭৭, ৮৩৯, নাসায়ী ২৮৪৫, ২৮৪৬, ২৮৪৭, আবূ দাউদ ১৮৩৫, ১৮৩৬, ২৩৭২, ২৩৭৩, আহমাদ ১৮৫২, ১৯২২, ১৯৪৪, ২১০৯, ২১৮৭, ২২২৯, ২২৪৩, ২২৪৯,২৩৩৩, ২৩৫১, ২৫৩২, ২৫৮৪, ২৬৫৪, ২৭১১, ২৭৮৫৩, ২৮৮৩, ৩০৬৫, ৩০৬৮, ৩২০১, ৩২২৩, ৩২৭২, ৩৫১৩,৩৫৩৭ দারেমী ১৮১৯, ১৮২১ ইরওয়াহ ৯৩২, সহীহ আবী দাউদ ২০৫৪। তাহকীক আলবানীঃ তিনি মুহরিম অবস্থায় শিঙ্গা লাগিয়েছেন, এ শব্দে সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী ১. মুহাম্মাদ বিন ফুদায়ল সম্পর্কে ইবনু মাঈন তাকে সিকাহ বলেছন। আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তিনি সত্যবাদী। ইমাম নাসাঈ বলেন, কোন সমস্যা নেই। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তিনি শীয়া মতাবলম্বী। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৫৪৮, ২৬/২৯৩ নং পৃষ্ঠা) ২. ইয়াযীদ বিন আবু যিয়াদ সম্পর্কে আহমাদ বিন সালিহ তাকে সিকাহ বললেও ইয়াহইয়া বিন মাঈন ও আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় নির্ভরযোগ্য নয়। আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তার থেকে হাদিস গ্রহন করা যাবে কিন্তু দলীল হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, কোন সমস্যা নেই। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৬৯৯১, ৩২/১৩৫ নং পৃষ্ঠা।হাদিসের মানঃ সহিহ

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ عَطَاءِ بْنِ عَبْدِ اللهِ الْخُرَاسَانِيِّ أَنَّهُ قَالَ: حَدَّثَنِي شَيْخٌ بِسُوقِ الْبُرَمِ بِالْكُوفَةِ عَنْ كَعْبِ بْنِ عُجْرَةَ أَنَّهُ قَالَ: جَاءَنِي رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَنَا أَنْفُخُ تَحْتَ قِدْرٍ لِأَصْحَابِي وَقَدْ امْتَلَأَ رَأْسِي وَلِحْيَتِي قَمْلًا فَأَخَذَ بِجَبْهَتِي ثُمَّ قَالَ احْلِقْ هَذَا الشَّعَرَ وَصُمْ ثَلَاثَةَ أَيَّامٍ أَوْ أَطْعِمْ سِتَّةَ مَسَاكِينَ وَقَدْ كَانَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلِمَ أَنَّهُ لَيْسَ عِنْدِي مَا أَنْسُكُ بِهِ. قَالَ مَالِك فِي فِدْيَةِ الْأَذَى إِنَّ الْأَمْرَ فِيهِ أَنَّ أَحَدًا لَا يَفْتَدِي حَتَّى يَفْعَلَ مَا يُوجِبُ عَلَيْهِ الْفِدْيَةَ وَإِنَّ الْكَفَّارَةَ إِنَّمَا تَكُونُ بَعْدَ وُجُوبِهَا عَلَى صَاحِبِهَا وَأَنَّهُ يَضَعُ فِدْيَتَهُ حَيْثُ مَا شَاءَ النُّسُكَ أَوْ الصِّيَامَ أَوْ الصَّدَقَةَ بِمَكَّةَ أَوْ بِغَيْرِهَا مِنْ الْبِلَادِ.

-قَالَ مَالِك لَا يَصْلُحُ لِلْمُحْرِمِ أَنْ يَنْتِفَ مِنْ شَعَرِهِ شَيْئًا وَلَا يَحْلِقَهُ وَلَا يُقَصِّرَهُ حَتَّى يَحِلَّ إِلَّا أَنْ يُصِيبَهُ أَذًى فِي رَأْسِهِ فَعَلَيْهِ فِدْيَةٌ كَمَا أَمَرَهُ اللهُ تَعَالَى وَلَا يَصْلُحُ لَهُ أَنْ يُقَلِّمَ أَظْفَارَهُ وَلَا يَقْتُلَ قَمْلَةً وَلَا يَطْرَحَهَا مِنْ رَأْسِهِ إِلَى الْأَرْضِ وَلَا مِنْ جِلْدِهِ وَلَا مِنْ ثَوْبِهِ فَإِنْ طَرَحَهَا الْمُحْرِمُ مِنْ جِلْدِهِ أَوْ مِنْ ثَوْبِهِ فَلْيُطْعِمْ حَفْنَةً مِنْ طَعَامٍ. قَالَ مَالِك مَنْ نَتَفَ شَعَرًا مِنْ أَنْفِهِ أَوْ مِنْ إِبْطِهِ أَوْ اطَّلَى جَسَدَهُ بِنُورَةٍ أَوْ يَحْلِقُ عَنْ شَجَّةٍ فِي رَأْسِهِ لِضَرُورَةٍ أَوْ يَحْلِقُ قَفَاهُ لِمَوْضِعِ الْمَحَاجِمِ وَهُوَ مُحْرِمٌ نَاسِيًا أَوْ جَاهِلًا إِنَّ مَنْ فَعَلَ شَيْئًا مِنْ ذَلِكَ فَعَلَيْهِ الْفِدْيَةُ فِي ذَلِكَ كُلِّهِ وَلَا يَنْبَغِي لَهُ أَنْ يَحْلِقَ مَوْضِعَ الْمَحَاجِمِ وَمَنْ جَهِلَ فَحَلَقَ رَأْسَهُ قَبْلَ أَنْ يَرْمِيَ الْجَمْرَةَ افْتَدَى

কা’ব ইবনু ‘উজরা (রা) থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমার কাছে এলেন। আমি চুলায় আগুন ধরিয়ে সঙ্গীদের জন্য রান্ন-বান্নায় ব্যস্ত ছিলাম। আমার মাথা ও দাড়ি উকুনে ভরা ছিল। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমার পেরেশানী অনুভব করে আমার ললাটে হাত রাখলেন এবং বললেন, চুল কেটে ফেল এবং তিনদিন রোযা রাখ বা ছয় জন মিসকীনকে খাদ্য দিয়ে দাও। আর আমার নিকট কুরবানী করার মত কিছু ছিল না, এ কথা তিনি জানতেন।
(বুখারী ৪১৯০, মুসলিম ১২০১, ইমাম মালিক (র)-এর সনদে মুবহাম রয়েছে)
মালিক (র) বলেন, অপরাধ না হওয়া পর্যন্ত কেউ কিছু ফিদ্‌য়া দিবে না। কারণ অপরাধ করার পরই শুধু কাফ্‌ফারা ওয়াজিব হয়ে থাকে। কাফ্‌ফারার বেলায় কুরবানী বা রোযা বা মিসকীনকে খাদ্য প্রদান, এই তিনটির যেকোন একটি এবং মক্কা বা মক্কার বাহিরে যেকোন শহরে উহা আদায় করার ইখতিয়ার রয়েছে।
মালিক (র) বলেন, ইহরাম না খোলা পর্যন্ত মুহরিমের জন্য চুল উপড়ান বা কামানো বা ছাঁটা কিছুই জায়েয নয়। চুলে উকুন ইত্যাদি হয়ে গেলে তা জায়েয। কিন্তু উহার পরিবর্তে আল্লাহর নির্দেশমত ফিদ্‌য়া দিতে হবে। মুহরিমের জন্য নখ কাটা, উকুন মারা বা মাথার চুল হতে উকুন বের করে মাটিতে ফেলে দেওয়া বা শরীর ও কাপড়ের উকুন বের করা জায়েয নয়। এইরূপ করলে এক মুষ্টি খাদ্য খয়রাত করবে।
মালিক (র) বলেন, যদি ইহরাম অবস্থায় কোন ব্যক্তি নাকের চুল বা বগলতলা বা নাভীর নিচের লোম চিমটি দ্বারা উপড়ায় অথবা মাথায় যখম হওয়ার দরুন প্রয়োজনের খাতিরে চুল কামায় বা শিঙ্গা লাগাবার উদ্দেশ্যে গর্দানের চুল কাটে, এসব জেনে করুক বা ভুলবশত করুক, সকল অবস্থায়ই তার জন্য ফিদ্‌য়া দেওয়া ওয়াজিব। শিঙ্গা লাগানো স্থানের চুল কামানো মুহরিমের জন্য জায়েয নয়।
মালিক (র) বলেন, অজ্ঞতার দরুন যদি কেউ কঙ্কর নিক্ষেপের পূর্বেই মাথার চুল কামায়ে ফেলে তবে তাকে ফিদ্‌য়া দিতে হবে।
হাদিসের মানঃ অন্যান্য 

হিজামার পারিশ্রমিক

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ ، عَنْ حُمَيْدٍ ، قَالَ : سُئِلَ أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ عَنْ كَسْبِ الْحَجَّامِ ، فَقَالَ : احْتَجَمَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , حَجَمَهُ أَبُو طَيْبَةَ ، فَأَمَرَ لَهُ بِصَاعَيْنِ مِنْ طَعَامٍ ، وَكَلَّمَ أَهْلَهُ فَوَضَعُوا عَنْهُ مِنْ خَرَاجِهِ , وَقَالَ : ” إِنَّ أَفْضَلَ مَا تَدَاوَيْتُمْ بِهِ الْحِجَامَةُ ” ، أَوْ ” إِنَّ مِنْ أَمْثَلِ دَوَائِكُمُ الْحِجَامَةَ “

হুমায়দ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) কে হিজামা লাগানোর পারিশ্রমিক সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, আবু তায়বা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে হিজামা লাগিয়েছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে ২ সা’ খাদ্যশস্য দেয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন এবং তাঁর মালিকের সঙ্গে আলাপ করে তাঁর নিকট হতে আদায়যোগ্য অর্থ খারাজও কমিয়ে দিয়েছিলেন এবং তিনি বলেছিলেন, তোমরা যে ঔষধ ব্যবহার কর, এর মধ্যে শিঙ্গা উত্তম। অথবা বলেছেন, শিঙ্গা উত্তম প্রতিষেধকের অন্তর্ভুক্ত।
সহীহ মুসলিম, হা/৪১২১; মুসনাদে আহমাদ, হা/১২৯০৬; মুসনাদে আবু ই'আলা, হা/৩৭৫৮; 
মুস্তাখরাজে ইবনে আবি আওয়ানা, হা/৪২৯৮। 
হাদীসের মানঃ সহীহ

حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ ، قَالَ : حَدَّثَنَا وَرْقَاءُ بْنُ عُمَرَ ، عَنْ عَبْدِ الأَعْلَى ، عَنْ أَبِي جَمِيلَةَ ، عَنْ عَلِيٍّ : ” أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , احْتَجَمَ وَأَمَرَنِي فَأَعْطَيْتُ الْحَجَّامَ أَجْرَهُ “

আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে শিঙ্গা লাগালেন এবং আমাকে এর পারিশ্রমিক দেয়ার নির্দেশ দিলেন। অতঃপর আমি তাকে পারিশ্রমিক দিয়ে দিলাম।
ইবনে মাজাহ, হা/২১৬৩; মুসনাদে আহমাদ, হা/১১৩০; বায়হাকী, হা/১৯৩০৪; 
মুসনাদুত তায়ালুসী, হা/১৪৮।
হাদিসের মানঃ সহিহ

حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ إِسْحَاقَ الْهَمْدَانِيُّ ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَبْدَةُ ، عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنِ الشَّعْبِيِّ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : ” إِنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ احْتَجَمَ فِي الأَخْدَعَيْنِ , وَبَيْنَ الْكَتِفَيْنِ ، وَأَعْطَى الْحَجَّامَ أَجْرَهُ , وَلَوْ كَانَ حَرَامًا لَمْ يُعْطِهِ “

ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর গর্দানের দু’পার্শ্বে এবং কাঁধের দু’ পার্শ্বে শিঙ্গা লাগালেন এবং শিঙ্গা লাগানেওয়ালাকে এর পারিশ্রমিক দিলেন। শিঙ্গা লাগানো যদি হারাম হতো, তবে তিনি এর পারিশ্রমিক দিতেন না।
সহীহ বুখারী, হা/২১০৩; মুসনাদে আহমাদ, হা/২৯০৬; মুসনাদে আবু ইয়ালা, হা/২২০৫: 
মুজামুল কাবীর লিত তাবারানী, হা/১২৪২০; মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা, হা/২১৩৮২।
হাদিসের মানঃ সহিহ

حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ إِسْحَاقَ ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَبْدَةُ ، عَنِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , دَعَا حَجَّامًا فَحَجَمَهُ وَسَأَلَهُ : ” كَمْ خَرَاجُكَ ؟ ” فَقَالَ : ثَلاثَةُ آصُعٍ ، فَوَضَعَ عَنْهُ صَاعًا وَأَعْطَاهُ أَجْرَهُ

ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক শিঙ্গালাগানেওয়ালাকে ডাকলেন। সে তাকে শিঙ্গা লাগাল। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তোমাকে দৈনিক কত দিতে হয়? সে বলল, প্রতিদিন তিন সা’। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর আদায়যোগ্য অর্থ এক সা’ কমিয়ে দিলেন এবং তাঁর পারিশ্রমিক দিয়ে দিলেন।
মুসনাদে আহমাদ, হা/১১৩৬; সহীহ ইবনে হিব্বান, হা/৩৫৩৬; মুসনাদুত তায়ালুসী, হা/১৮২৯; 
মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা, হা/২১৩৮৪।
হাদিসের মানঃ সহিহ

وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا أَنَّهُ قَالَ: احْتَجَمَ رَسُولُ اللَّهِ – صلى الله عليه وسلم – وَأَعْطَى الَّذِي حَجَمَهُ أَجْرَهُ (1)، وَلَوْ كَانَ حَرَاماً لَمْ يُعْطِهِ. رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন নবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শিঙ্গা লাগালেন এবং যে তাকে শিঙ্গা লাগিয়েছে, তাকে তিনি মজুরী দিলেন । যদি তা হারাম হতো তবে তিনি তা দিতেন না ।
[৯৭৬] বুখারী ১৮৩৫,১৯৩৮,১৯৩৯,২১০৩, মুসলিম ১২০২, তিরমিযী ৭৭৫,৭৭৬,৭৭৭, 
নাসায়ী ২৮৪৫,২৮৪৬, আবূ দাঊদ ১৮৩৫,১৮৩৬,২৩৭২, 
ইবনু মাজাহ ১৬৮২,৩০৮১,১৮৫২,১৯২২, দারেমী ১৮১৯,১৮২১ ।
হাদিসের মানঃ সহিহ

حديث أَنَسٍ رضي الله عنه، أَنَّهُ سُئِلَ عَنْ أَجْرِ الْحَجَّامِ، فَقَالَ: احْتَجَمَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَجَمَهُ أَبُو طَيْبَةَ، وَأَعْطَاهُ صَاعَيْنِ مِنْ طَعَامٍ، وَكَلَّمَ مَوَالِيَهُ فَخَفَّفوا عَنْهُ وَقَالَ: إِنَّ أَمْثَلَ مَا تَدَاوَيْتُمْ بِهِ الْحِجَامَةُ وَالْقُسْطُ الْبَحْرِيُّ

আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তাঁকে শিঙ্গা লাগানোর পারিশ্রমিক দানের ব্যাপারে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তখন তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শিঙ্গা লাগিয়েছেন। আবু তাইবা তাঁকে শিঙ্গা লাগায়। এরপর তিনি তাকে দু’ সা‘ খাদ্যবস্তু প্রদান করেন। সে তার মালিকের সঙ্গে এ ব্যাপারে আলোচনা করলে তারা তাঁর থেকে পারিশ্রমিকের পরিমাণ লাঘব করে দেয়। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরো বলেনঃ তোমরা যে সকল জিনিসের দ্বারা চিকিৎসা কর, সেগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উত্তম হল শিঙ্গা লাগানো এবং সামুদ্রিক চন্দন কাঠ ব্যবহার করা। তিনি আরো বলেছেনঃ তোমরা তোমাদের শিশুদের জিহবা, তালু টিপে কষ্ট দিও না। বরং তোমরা চন্দন কাঠ (ধোঁয়া) ব্যবহার করাও।
বুখারী পর্ব ৭৬: /১৩, হা: ৫৬৯৬; মুসলিম ২২/১১, হাঃ ১৫৭৭
হাদিসের মানঃ সহিহ

حديث ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ احْتَجَمَ، وَأَعْطَى الْحَجَّامَ أَجْرَهُ وَاسْتَعَطَ

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শিঙ্গা লাগিয়ে নিয়েছেন এবং যে শিঙ্গা লাগিয়ে দিয়েছে সে ব্যক্তিকে পারিশ্রমিক দিয়েছেন আর তিনি (শ্বাস দ্বারা) নাকে ঔষধ টেনে নিয়েছেন।
বুখারী পর্ব ৭৬: /৯, হা: ৫৬৯১; মুসলিম ২২/১১, হাঃ ১২০২
হাদিসের মানঃ সহিহ

حديث ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنهما، قَالَ: احْتَجَمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَأَعْطَى الْحَجَّامَ أَجْرَهُ

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শিঙ্গা নিয়েছিলেন এবং শিঙ্গা প্রয়োগকারীকে তার মজুরী দিয়েছিলেন।
বুখারী পর্ব ৩৭ অধ্যায় ১৮ হাদীস নং ২২৭৮; মুসলিম ৩৯/২৬, হাঃ ১২০২
হাদিসের মানঃ সহিহ
حديث أَنَسٍ رضي الله عنه، قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَحْتَجِمُ، وَلَمْ يَكُنْ يَظْلِم أَحَدًا أَجْرَهُ
আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শিঙ্গা লাগাতেন এবং কোন লোকের পারিশ্রমিক কম দিতেন না।
বুখারী পর্ব ২৭ অধ্যায় ১৮ হাদীস নং ২২৮০; মুসলিম ৩৯/২৬, হাঃ ১৫৭৭
হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস 

রোগ অনুযায়ী চিকিৎসা বিভিন্ন রকমঃ

حديث جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ رضي الله عنهما، قَالَ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَقُولُ: إِنْ كَانَ فِي شَيْءٍ مِنْ أَدْوِيَتِكُمْ، أَوْ يَكُونُ فِي شَيْءٍ مِنْ أَدْوِيَتِكُمْ، خَيْرٌ، فَفِي شَرْطَةِ مِحْجَمٍ، أَوْ شَرْبَةِ عَسَلٍ، أَوْ لَذْعَةٍ بِنَارٍ تُوَافِقُ الدَّاءَ، وَمَا أُحِبُّ أَنْ أَكْتَوِيَ

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ তোমাদের ঔষধসমূহের কোনটির মধ্যে যদি কল্যাণ বিদ্যমান থেকে থাকে তাহলে তা রয়েছে শিঙ্গাদানের মধ্যে কিংবা মধু পানের মধ্যে কিংবা আগুনের দ্বারা ঝলসিয়ে দেয়ার মধ্যে। তবে তা রোগ অনুযায়ী হতে হবে। আর আমি আগুন দ্বারা দাগ দেয়াকে পছন্দ করি না।
বুখারী পর্ব ৭৬ অধ্যায় ৪ হাদীস নং ৫৬৮৩; মুসলিম ৩৯/২৬, হাঃ ২২০৫
হাদিসের মানঃ সহিহ

হিজামার তারিখ

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْقُدُّوسِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْعَطَّارُ الْبَصْرِيُّ ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَاصِمٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا هَمَّامٌ ، وَجَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا قَتَادَةُ ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ، قَالَ : ” كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَحْتَجِمُ فِي الأَخْدَعَيْنِ وَالْكَاهِلِ ، وَكَانَ يَحْتَجِمُ لِسَبْعَ عَشْرَةَ , وَتِسْعَ عَشْرَةَ , وَإِحْدَى وَعِشْرِينَ “

আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাঁধের দু’ পার্শ্বে এবং কাঁধের মধ্যবর্তী স্থানে শিঙ্গা লাগাতেন এবং তিনি ১৭, ১৯ ও ২১ তারিখে শিঙ্গা লাগাতেন।
শারহুস সুন্নাহ, হা/৩২৩৪; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/৩৪৬৪; মিশকাত, হা/৪৫৪৬।
হাদিসের মানঃ সহিহ

হিজামার স্থান

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ ، قَالَ : أَنْبَأَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ ، عَنْ مَعْمَرٍ ، عَنْ قَتَادَةَ ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ : ” أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ احْتَجَمَ وَهُوَ مُحْرِمٌ بِمَلَلٍ عَلَى ظَهْرِ الْقَدَمِ “

আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহরাম বাধা অবস্থায় পায়ের পাতার উপরিভাগে মালাল নামক স্থানে শিঙ্গা লাগালেন।
আবু দাউদ, হা/১৮৩৯; সুনানে নাসাঈ, হা/২৮৪৯; মুসনাদে আহমাদ, হা/১২৭০৫;
সহীহ ইবনে হিব্বান, হা/৩৯৫২ শারহুস সুন্নাহ, হা/১৯৮৬।
হাদিসের মানঃ সহিহ

হিজামার পরে গোসল

وَعَنْ عَائِشَةَ أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ كَانَ يَغْتَسِلُ مِنْ اَرْبَعٍ مِّنَ الْجَنَابَةِ وَيَوْمَ الْجُمُعَةِ وَمِنَ الْحَجَامَةِ وَمِنْ غُسْلِ الْمَيِّتِ. رَوَاهُ أَبُوْ دَاوٗدَ

আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চারটি কারণে গোসল করতেনঃ (১) অপবিত্রতা, (২) জুমু‘আহ্‌, (৩) হিজামা লাগানোর পর (অর্থাৎ-শরীর থেকে রক্ত বের হলে) এবং (৪) মৃত ব্যক্তির গোসল দেবার পর।
য‘ঈফ : আবূ দাঊদ ৩৪৮। কারণ এর সানাদে মুস্‘আব ইবনু শায়বাহ্ সর্বসম্মতিক্রমে দুর্বল।
হাদিসের মানঃ দুর্বল
—————–Copyright——————-
©Dr. Mohammad Saiful Alam Talukder। এই লেখা বা লেখার কোন অংশ লেখকের অনুমতি ব্যাতীত প্রচার ও প্রকাশ করা নিষেধ। অনুমতি সাপেক্ষে প্রকাশ করলে লেখকের নাম ব্যাবহার করতে হবে। শুধু লাইক ও শেয়ার বাটন ব্যাবহার করার জন্য অনুমতির প্রয়োজন নেই। শরীয়াহ আমাকে এই অধিকার দিয়েছে। কেউ অনুমতি ব্যাতীত প্রচার ও প্রকাশ করলে দায়ী হবেন।
—————–Copyright——————-

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *